অনন্য থেকে অনন্যা

ছোট বেলা থেকেই মেয়েলি। ব্রা-প্যান্টি,আম্মুর শাড়ি লুকিয়ে পড়া যেটা এখণকারন নিত্যদিনের ঘটনা। পূরো শরীরে লোম যা আছে তাতে কেউ বলবে না আমি ছেলে। কোমর ৩০ আর হিপ ৩৪ আর ইস্টোজেন এর প্রভাবে স্তনটাও টিনেজ মেয়েদের মতো,যদিও আমি এখনো স্পোর্টস ব্রা পড়ি, বুঝতেই পুরুষদের চোখ সবসময় কোন দিকে!!! সাথে শুরু করলাম ওয়েবক্যামিং কিন্তু ওয়বক্যামিং করতে হলে অবশ্যই মেকাপটাও প্রপারলি করতে হবে না হলে অডিয়েন্স থাকবে না। এর আগে ঘটলো জীবনের নতুন ঘটনা যা পুরো জীবনটাকেই বদলে দিলো। তখন গরমের ছুটি টানা ২০ দিন ছোট,কাজিন আসলো আমাদের বাসায়,আপু আসায় আম্মুতো অনেক খুশি অনেকদিন আপু এসেছে। একদিন বাসায় কেউ নাই আব্বু,আম্মু গেছে আম্মুর বান্ধবীর মেয়ের বিয়ের দাওয়াতে তাও তিনদিনের জন্য। আমি যাই নি কারণ সামনে আমার পরীক্ষা আর আরেকটা কারণ আছে সেটাতো বুঝতেই পারছেন। আপুর শরীর খারা লাগছে আর আমি একা থাকবো তাই আপুও যায় নি। আম্মু যাওয়ার পর আপু বললো ওর এখানকার ফ্রেন্ড সার্কেলের সাথে সারাদিন আড্ডা দেবে ফিরতে সন্ধ্যা হবে বলেও আপুও বাইরে গেলো আর আপু যাওয়ার সাথে সাথেই শুরু করলাম আমার গোপন মিশন। সেদিন শুধু আপুর পুশ আপ ব্রা আর আপুর নীল কালারের কামিজ আর একই কালারের প্ল্যাজো সাথে সাদা কালারের ওড়না,সাধারন মেকাপ, জাষ্ট লিপ্সটিক আর কাজল আর শুধু বাম হাতে নীল কালারের নেইলপলিশ। হঠাত করে কলিংবেল বেজে উঠলো আমি জাস্ট লিপ্সটিক মুচেছি এর মধ্যেই আপু দেখি দরজার আসনে,আমি তো আপুর চোখের দিকে তাকিয়ে স্টাচু হয়ে দাঁড়িয়ে আছি। আপু হিহিহি করে হেসে বললো অনন্যা জানিস বোন তুই কত্তো সুন্দরী!!! মনে মনে খুশিই হলাম মনে মনে কিন্তু আপুর সামনে জড়সড় হয়ে আপুকে বললাম আপু প্লিজ আম্মুকে বলো না,ও হ্যা বলাই হয় নি আমি অনন্য,বয়স ১৮ আর উচ্চতা ৫ ফুট তিন ইঞ্চি। তো আপু বলে আমি কাউকে বলবো না কিন্তু শর্ত হচ্ছে পুরো তিন খালা মানে আম্মু আসবে এই তিনদিন তোকে পুরো মেয়ে সেজে থাকতে হবে। আমি মনে মনে খুশি হলেও আপু প্লিজ না,আমি তার রুমে গেলো আমি চিন্তা করলাম যাক বাঁচলাম। ঠিক পাচ থেকে সাত মিনিট পর আপু আসলো কিন্তু হাতে নীল কালারের শাড়ী,লাল কালারের ব্লাউজ,নীল কালারের পেটিকোট আর মাচিং করে পুশ আপ ব্রা আর কালো কালারের প্যান্টি। আমি আপুকে বললাম আপু এগুলা কি করবা? আপু হেসে বললো অনন্যা শাড়িতে তোকে কতো সুন্দর লাগবে জানিস!! আমি বললাম আপু প্লিজ।। আমি বললো আমি কিন্তু মামীকে... কথা শেষ না হতেই বললাম ওকে আপু তুমি যা বলবে তাই হবে তাও আম্মু বলো না। আমি এখন আপুর ড্রেস পড়েই আছি,আপু বললো এগুলো খোল। আমি আপু এখানে, কথা শেষ না হতেই আমি ওড়নাটা কেড়ে নিলো আমি লজ্জায় বুকটা দুই হাত দিয়ে ঢাকার চেষ্টা করলাম,আপুতো হেসে গড়িয়ে পড়লো। আপু বললো আমার বোনটা তো সত্যি সত্যি মেয়ে হয়ে গেছে!!! আপু এবার বললো খুলবো নাকি তুই খুলবি? আমি বললাম ওকে বাবা আমিই খুলছি,বলে আস্তে আস্তে খোলা শুরু করলাম ,আপু ঝাড়ি দিয়ে বললো হতে সময় কম তাড়াতাড়ি হাতে সময় কম। আমি কামিজ,ব্রা,প্ল্যাজো খুলেছি ,এখন শুধু আমার শরীরে কালো কালারের প্যান্টি,এবার আপু এবার একটা টাওয়েল আর হতে একটা একটা হেয়ার রিমুভার। আমি আতকে উঠলাম, আপু এগুলো কেনো? আপু আবার স্মরণ করিয়ে দিলো আম্মু কথা, আমি আর কথা না বাড়িয়ে বাথরূমে ঢুকলাম,মিনিট পনেরো পর আপু বললো তোর হলো নাকি আমি ভেতরে আসবো? আমি বললাম আর পাঁচ মিনিট আপু ... পাঁচ মিনিট পর আমি কোমরে সাদা বড় টাওয়েলটা পেঁচিয়ে বের হলাম। আপুতো দেখে রেগে আগুন,"নির্লজ্জ মেয়ে এভাবে কোনো মেয়ে বাথরুম থেকে বের হয়!! কেন আপু কি হয়েছে? কিছু না আবার ওয়াশরূমে যাও আর টাওয়েল্টা বুক থেকে পেঁচিয়ে বের হও। আমি তো চিপায় সো আপু যা বলবে তাই শুনতে হবে উপায় নেই। আমি ভদ্র মেয়ের মতো ওয়াশরুম থেকে আপুর কথা মতো টাওয়েল পড়ে বের হয়ে এলাম। আমার শরীরে এমনিতেই কম লোম আর রিমুভার ব্যাবহারের পর পরো শরীরে কোনো লোম নেই সো বুঝতেই পারছেন,পা দুটো এতো সুন্দর দেখাছে যে আপু বলেই বসলো অনন্যা তোর পা দুটো তো আমার চেয়ে বেশি সেক্সি দেখাচ্ছে,আমি বললাম যাও আপু তোমার যা কথা! অনেক বকবক হোয়েছে এবার লক্ষী মেয়ের মতো আয়নার সামনে বসো। আপু আয়নার সামনে বসে দুই পা আলাদা করে বসেছি তারমানে ছেলেদের মতো করে। আপু বললো মেয়েরা কি এভাবে বসে? আমি বললাম তাহলে কিভাবে বসবো? আপু এবার নিজে বসে প্রাকটিকালি দেখিয়ে দিলো,একাটা পায়ের উপর আরেকটা পা আড়াআড়ি করে বসে বললো এভাবে। আমি আপুর মতো করে বসলাম। এবার শুরু হলো আমার সেই কাঙ্ক্ষিত পর্ব। ওওও ব্যথা লাগছে আপু, একদম চুপ করে বসো আমার শর্তের কথা ভুলে গেছো নাকি?? আমি আর কিছু বললাম না। আপু তার নিজের মতো করে আবার ভ্রূ টা থ্রেডিং করতে থাকলো। প্রায় মিনিট ১৫ পার হওয়ার পর,আপু এবার চিমটা দিয়ে কিছু চুল তূললো আর তারপর শুরু হলো সূতো দিয়ে ঘষামাজা। যখন আমি চোখ খুলে আয়নাটার দিকে তাকালাম আমিকি সত্যিই অনন্য!!! আইব্রো প্লাক করার চেহেরাটা এতো মেয়েলি হয়ে যায় তা এই প্রথম বারের মতো বুঝতে পারলাম। যদিও মনে মনে অনেক খশি হলাম বাট আপুকে অভিনয়ের শুরে বললাম আপু কি করলা এটা!!! আমি তো পুরো ভূত হয়ে গেছি,থাক আর ঢং করতে হবে না...বিড়বিড় করে বলতে লাগলাম,"আপু আমার মনের কথা বুঝলো!!" তোমার যে ফারিহা জামান অনন্যা নামে যে একটা আইডি আছে আর যার সাথে সারাদিন চ্যাট করো সেই রাহাত ছেলেটা আমি আর সেই জন্যই এই লং ছূটি তোমার সাথে কাটাতে এসেছি ডার্লিং বলেই আপু হেসে দিলো। আপু শিট তুমি আমাকে আগে বলো নাই ক্যান? কারন আগে বললে তো এই সুযোগ টাতো পেয়াম না। এবার বুঝলাম কেনো আপু বিয়েতে যায় নাই? এরপর প্রায় ঘন্টা খানিক ধরে চললো ম্যানিকিউর আর প্যাডিকিউর। তারপর আপু আমার ২০ টা নোখই ফাইল করে দিলো তারপর আরটিফিসিয়াল নোখে আটকিয়ে দিলো। নোখটা রাউন্ডেত স্কয়ার। এর পর লাল কালারের নেইলপলিশ আমার হাতে ও পায়ে পড়িয়ে দিলো।! এবার দুটো ব্রাশ নিলো আপু ,একটা দিয়ে পুরো মুখ থেকে গলা পর্যন্ত লাগিয়ে দিলো তারপর ন্যাচারাল লুক আনার জন্য চোখের নীচে কনছিয়ালর লাগিয়ে দিলো। এবার ল্যাশ লাইনের নীচে হালকা করে সোনালি কালারের একটা ঘষা দিয়ে দিলো। এরপর ছোট একটা ব্রাশ দিয়ে চোখের পাতার উপর আস্তে আস্তে ঘষতে শুরু করলো।এবার আইস্যাডোর বক্সটা খুলে চোখের পাতায় কালো আরও অনেক কালার ঘষতে থাকলো,এবার চোখটা স্মোকি আর আরও সুন্দর দেখাচ্ছে। এবার আপু একটা ল্যা্শ গুল চোখের পাতায় লাগিয়ে চোখের পাতায় মাশকারা দিয়ে দিলো,একণ পাতাগূলো একটু ভারী আর একটু বড়ো বড় লাগছে। তারপর আইলাইনার দিয়ে চোখটা টেনে দিলো আর কজল দিয়ে শেষ হলো। যখন আয়নার দিকে চোখ তুলে তাকিয়ে দেখার পর চোখটা এতো সুন্দর লাগছিলো যে আমি নিজের চোখকেই বিশ্বাস করতে পারছিলাম না! একটা বড় ব্রাশ নিয়ে আমার গালের উপরে চিকবোন বরাবর আপু পিংক করে দিলো, ব্লাশার লাগানোর কারণে গালটা কেমন যেন আপেলের মতো লাগছে, আর তারপরে একটা পাউডার পাফ দিয়ে মুখের মত আলতো করে পাউডার লাগিয়ে দিল। এবার লিপস্টিক এর পালা,প্রথমে হালকা লিপ্সটিক নিয়ে সাথে অল্প ফাউন্ডেশন নিয়ে নোখ দিয়ে লাগিয়ে দিলো দেন লাইট কোট পাউডার ব্রাশ দিয়ে লাগিয়ে দিলো। এবার লাল কালারের একটা লিপ্সটিক ঠোঁটে লাগিয়ে তারপর লিপষ্টিক দেওয়ার শেষে মাঝখানে একটু গাড়ো করে দিলো তাতে ঠোঁটের কালারটা আরও গাঁড় হয়ে গেলো আর শেষে হালকা লিপগ্লস লাগিয়ে দিলো। আপু বললো অন্যনা তোকে তো আমার চেয়ে বেশি সুন্দরী দেখাচ্ছে,যেকোনো ছেলে তোর প্রেমে পড়বেই পড়বে। আমি বললাম যাও আপু তুই যে কি বলো!! আপু শুধু হাসলো কিন্তু হাসির অর্থ বুঝলাম না! এবার আর আমি নিজেকে চিনতে পারছি না,সত্যি বলতে আমকে এতো সুন্দর লাগছিলো তাতে যেকেউই আমার দিকে দ্বিতীয়বার তাকাতে বাধ্য। মনে মনে আপুকে ধন্যবাদ দিলাম। এবার আপু দাঁড়াতে বললো আমি সরল মনে দাড়ালাম,এবার ঘটলো অনাকংক্ষিত একটা ঘটনা তারমানে আপু একটানে আমার টাওয়েলটা খুলে ফেললো,আমি আপুউ বলে চিৎকার দিয়ে লজ্জায় লাল হয়ে গেলাম। আপু বললো,কিছুটা ব্যঙাতক সূরে বললো অনেক ঢং হয়েছে চ্যাটের সময় তো লজ্জার ল ও থাকে না। আমি আর কথা বললাম না,আপু আগে টেপ দিয়ে আমার পূরুষাংটাকে পেছনে টেপ দিয়ে আটকিয়ে দিলো। তাতে মেয়েদের যৌনাঙ্গের মতো টাক হলো যদিও ব্যথা পাচ্ছি না তবুও আমি বললাম আপু এটার কি দরকার!! গাধী ছেলেদের কি ওটা থাকে? এখন দেখো একদম মেয়েদের মতো লাগছে। এরপর নীল কালারের একটা প্যডেড প্যান্টি দিয়ে বললো এটা পড়ো আমি নিরদ্বায় পড়ে নিলাম আমার পাছাটা এখন পরো গোল দেখাচ্ছে,আপু বলে উঠলো বিশ্বাস কর তোর পাছাটার দিকে তাকালে যেকোন পূরুষ তেকে বিছানায় পেতে চাইবে। আমি আর কিছু বললাম না কারণটা হচ্ছে এখন আমি বেশ উপভোগ করছি আর আপু তো মিথ্যে কথাও বলছে না। এবার পিঙ্ক কালারের একটা প্যাডেড ব্রা পড়িয়ে দিলো। তারপর পাউডার,ক্রিম ব্রোনজার নিলো। ক্রিম ব্রনজারটা আমার ত্বকের চেয়ে একটু গাঁড়। ক্রিমটা লাগানোর পর পাউডার দিয়ে দিয়ে সেটাকে একটু হালকা করে দিলো। এবার বুকের মাঝখানে একটু গাঁড় করে দিলো। তারপর ব্রোনজার দিয়ে ওয়াই মতো করে আঁকলো তারপর ব্রাশ দিয়ে পুরো অংশটা হাইলাইট করলো। এবার নীল কালারের একটা ফিনফিনে পেটিকোট পড়লাম আর শেষে পিঙ্ক কালারের একটা ব্লাউজ পড়িয়ে দিলো,এটা সাধারন ব্লাউজের মতো না,পিঠ আর বুকের ফাকা জায়গাটা সধারনের তুলনায় ডবল খোলা,ক্লিভেজটা এতোটায় সেক্সি দেখাচ্ছে তাতে বোঝার উপায় নাই আসলে বুবস টা ফেইক। নীল কালারের ডিজাইনার ব্রান্ডের শিফন শাড়ী পড়িয়ে দিলো,শারীটা সচ্ছ যে নাভীর নীচ থেকে বুবসের উপর পর্যন্ত আর বুকের সামনের আর পিঠের পিছনের একদম স্পষ্ট বোঝা যাচ্ছে। গলায় ছোট্ট সোনার নেকলেস আর এক ধরনের দুল পড়িয়ে দিলো। শেষে তিন ইঞ্চি একটা পেন্সিল হিল। আপুকে বললাম আমি কখনো হিল পড়ি নাই!!! আপু এমনভাবে তাকালো তাতে সে কিছু বলার আগেই পড়লাম হিলটা,টালমালাট হয়ে উঠে দাঁড়িয়ে মাত্র একধাপ দিতেই ধপাস করে পড়ে গেলাম দেখে আপু হাসতে হাসতে গড়িয়ে পড়ছে,উহ আপু...তখন আপু এসে আমার হাত ধরে উঠালো ফ্লোর থেকে। শোন,হাটার সময় পায়ের পাতাতে বেশী ভর দিবি আর গোড়ালীতে হালকা ভর দিয়ে ব্যালান্স করে পা টা এমন করে(আপু ক্যাটওয়াকের মতো করে অর্থাৎ পা টা একটু ক্রস করে হাঁটলো)। এবার আপু একটা হাত ধরে বললো নে আমি তোকে হেল্প করছি,মোট দুই রুমের একপ্রান্ত থেকে অপরপ্রান্ত পর্যন্ত মোট দুই বার চললো প্রাকটিস এবার আপু হাতটা ছেড়ে দিয়ে বললো এবার নিজে আস্তে আস্তে হাঁটার চেষ্টা কর। আমি সাহস নিয়ে একধাপ দিবার পরই আবার পড়ে যেতে লেগেও নিজেকে ব্যালান্স করার চেষ্টা করলাম আর সফলও হলাম,আপু বললো আরে গাধী কতোবার বললাম ছোট করে স্টেপ নিবি, ওহ তাইতো! বলে একপা দুই করে প্রায় দুই মিনিট হাটার পর আর কোন সমস্যা হলো না। আপু হঠাত বললো মেয়েদের চুল না থাকলে কেমন জানি লাগে তাই না ??? আমি সম্মতির লক্ষ্ণে মাথা নাড়ালাম,কিন্তু আমারতো চুল নাই!নিরাশার স্বরে বললাম। পাশে তাকিয়ে দেখি আপু নাই! আপু বলে ডাকতেই আপুর রুম থেকে বললো্ টু মিনিট ওয়েট প্লীজ... আপু দরজার ওপাশ থেকে বললো অনন্যা চোখ বন্ধ করো আমি কোনো কিছু না ভেবেই চোখ বন্ধ করলাম। এবার আপু আমার সামনে এসে বললো এবার তাকাও, আমি তাকিয়ে পুরোটা অবাক হয়ে গেলাম আর খুশিতে মুখটা ভরে উঠলো। আপু বুঝতে পেরে বললো এসো উইগটা পড়িয়ে দিলো আর শেষে দুই হাতে দুই ডজন নীল চুড়ি পড়িয়ে দিলো। এবার আয়নার সামনে দাঁড়িয়ে মনে মনে শুধু বললাম নাহ আমি শুধু নামে অনন্যা নয় রুপেও অনন্যা। আপুকে থ্যাঙ্কস দিতেও ভূল করলাম না। এবার শুরু হলো ফটোসেশন, আপু প্রথমে কিছু স্টিল পিকচার নিলো আর দুই মিনিটের একটা ভিডিওশুট। আপু বললো তুই ভিডিওটা দেখ আমি আসছি বলে চলে গেলো। আমি যখন ভিডিওটা দেখলাম তখন নিজেকে এতোটাই মোহনিয় লাগছিলো যাতে আমি মনে মনে বলতে বাধ্য হলাম,আমিই হবো বাংলাদেশের টপ মডেল। চিন্তা শেষ না হতেই আপু বললো চল খেতে যাবো। মনে মনে রাজি থাকলেও আমি বললথম এভাবে কিভাবে যাবো আপু,প্লীজ যাবনা। আপু বললো তুমি ভিডিওটা নিজে দেখেছো,আমি বুঝে গেলাম আমি কি বোঝাতে চাচ্ছে। আমি এই সামনের রেস্তুরাই যাব , আপু মাথা নাড়িয়ে সম্মতি দিলো। আপু আমার সাথে ম্যাচিং করেই সেই নীল কামিজ সেটটা পড়েছে,আপু এমনিতেই অনেক সুন্দরী,খুবি অল্প মেকাপ নিয়েছে জাস্ট লিপস্টিক আর শুধু কাজল আর তাতেই আপুকে পরীর মতো লাগছে। আপু চেঁচিয়ে বললো কই চল!!! অহ চলো বলে আমরা দুই বোন রেস্তরার দিকে হাঁটা শুরু করলাম। মাত্র পাঁচ মিনিটের রাস্তা কিন্তু দুই তিন জনের চোখের দিকে তাকিয়েই বুঝতে পারলাম যে কিশোর থেকে যারা ছিলো সবারই লালাসার স্বীকার হয়েছি। খাওয়া শেষে বাসায় ফিরতে বাজলো সাড়ে নয়টা। আপু কিছু না বলেই আপুর রুমে গেলো আমিও আমার রুমে বেড পরিষ্কার পর মাত্র এইচবিও এর গেম অফ থ্রোন ওপেন করার আগেই আপুর ডাক,অনন্যা কই গেলা আপু? আমি বললাম আসি আপু বলে আমি টিভিটা অফ করে আপুর রূমে গেলাম। আপু বললো,চলনা আপু আমারা দুই বোন এখানেই ঘুমাই...আপুর বলার কন্ঠটা এমন ছিলো যা আমি না বললে পারলাম না। আপু বললো যা তোর বালিশ নিয়ে আয়। আমি রুমে যাওয়ার পর একটা বেনসন লাইট খাওয়ার পর বালিশ নিতে আপুর রূমে গিয়ে দেখি আপু সোফার একপাশে বসা আর সামনের টেবিলে দুইটা গ্লাশ,দুইটা মাক্সিমাস বিয়ার আর একটা ভাট সিক্সটি নাইন। আমি টুকটাক ড্রিঙ্কস করি তাই কোনোটাই চিনতে অসুবিধে হয় নি কিন্তু একটু ভাল সাজার জন্য বললাম আপু এগুলা কি করবা! আপু বললো হয়েছে তোমার ভালো সাজা এসে আবার বসো। আমি আর কথা না বাড়িয়ে আপুর সামনের সোফায় বসলাম আপু একটা ট্যাবলেট দিয়ে বললো এটা খেয়ে নে,আমিও নিরদ্বিধায় আমি খেয়ে নিলাম। শোবার জন্য বিছানায় যাবার পর আমার ফোনটা নিয়ে ফেসবুক ব্রাউজিং করছি ঠিক ১৫ মিনিট পর আপুর গলা,ওই পাসে আর একটু আগা আমি জাষ্ট আপুর দিকে এক পলক তাকিয়েই ,লাফ উঠে বসে বললাম শিট! আপু তুমি এভাবে শোবে? আপু উত্তরে বললো এভাবে শোবনা তো কি এই গরমের মধ্যে তোর মতো করে শোব? যা আগে অন্তত আমার শাড়ীটা নষ্ট করিস না, পায়ে পড়ি বোন শাড়িটা খুলে রাখ। আমার আর কি করার উঠে শাড়িটা খুলে এসে আপুর পাশে শুইলাম। আমি ল্যাপটপ অন করে ইন্সটাগ্রামে আমার নামে একটা আইডি খুলে আজকের পিক গুলা আপলোড দিয়েছে,মনে মনে খূশী কারণ আমার কাজটা আপুই করে দিলো। আমি বললো মুভি দেখবি? আপু জানে আমি মুভি দেখতে ভালোবাসি। আপু একটা বিকিনি স্কোয়াড নামের একটা মুভি প্লে করলো। ১ ঘন্টা ৩৫ মিনিট এর মধ্যে ৪৫ মিনিট শুধু পর্ণ বাকীটা মুভি। প্রথমে আমি লজ্জা পেয়ে আপুকে প্লিজ অন্য কোনো মুভি প্লে করো। এবার আপু মুভিটা পস করে এটাতে লজ্জার কি আছে পাগলী আমরাতো দুইজনই প্রাপ্ত বয়স্ক এবং আমরা দুই জনই মেয়ে আর সবচেয়ে বড় কথা তুই আমার বোন,চলনা বোন মুভিটা দুই জন মিলে এনজয় করি আমি আর না বললাম না,পুরো মুভি দেখলাম কিন্তু আমার পুরুষাংগে কোনো উত্তেজনা নেই বরং মুভিটা দেখার পর নিজেকে একটা উত্তেজিত মেয়ের মতো চিন্তা করতে পারছি না!!! অবশেষে কাজ নেই তাই ফেসবুকে ঢুকেই দেখি রাহাত লিখেছে আজ তোমার স্বপ্ন পূরনের দিন। আমি বললাম ঠিক বলেছো আপু এতো দিন পর শেষে মেয়ে সাজা হলো। আপু হঠাতই রাগী গলায় বললো অনন্যা তুমি চ্যাটের আন্সার দিচ্ছো সো আপু নয় জাষ্ট রাহাত। আমি বললাম ঠিক আছে বাবা। রাহাত বললো চলো আরেকটা মুভি দেখি বলেই আপু রকোস এর একটা পর্ণ প্লে করেছে। এখন আর লজ্জা করছে না কারন এর আগের মূভি দেখে ফ্রী হয়ে গেছি,আধা ঘন্টা যাওয়ার পর রাহাত আমার নিম্নাঙে হাত দিয়েছে, আমি হাত সরিয়ে দেবার আগেই আপু বলে উঠলো,এখনো টেপ খুলিস নাই!! আমি বললাম এখন খুলবো? রাহাত বললো না থাক। আপুর কথা শেষ না হতেই আপু আমাকে জড়িয়ে ধরে কিস করা শুরু করলো আর আমি আপুর বুবস নিয়ে হাল্কা চাপ দিতে থাকলাম, একটু পর আপুর ব্রা টা একটু নামিয়ে আপুর নিপল চুষতে লাগলাম। ১০ মিনিট পর আপু আমার মুখটা সড়িয়ে নিয়ে বললো কিরে সেক্স করবি,আমি হ্যা বলতেই আপু অট্টহাসি দিয়ে বললো তোরটাতে তো নেটওয়ার্ক পায় না। আমি বললাম তাহলে ঘুমাই,আপু সেক্স তো আমরা করবোই আজ। আমি বললাম কিভাবে আপু? দাঁড়া দুই মিনিট বলেই বালিশের নীচ থেকে একটা স্ট্রাপঅন বের করে কোমরে বেল্টেটা আটকাচ্ছে,আমি বললাম আপু কি করছো এগুলা? আপু হেসে উত্তর দিলো তোমার সাথে সেক্স করবো বলে রেডী হচ্ছি,আমি আঁতকে উঠে আপু প্লীজ কিন্তু কথা শেষ করার আগেই আপু স্ট্রাপঅন টা আমার মুখে ঢুকিয়ে দিয়েছে আর একটা হাত মাথার পেছনে সো প্রায় মিনিট ছয় ইঞ্চি স্ট্রাপঅন টা চুষলাম তারপর দেন আপু আমাকে ডগি পজিশন নিতে বললো আমি তার কথামতো লক্ষী মেয়ের মতো ডগি পজিশন নিলাম কারণ আমি নিরুপায় কারন ব্ল্যাকমেইলিং এর স্বীকার। আপু লিউব নিয়ে প্রথমে আমার পেছনে দিয়েছে আর ওর স্ট্রাপঅনে লাগিয়ে নিলো তার পর আমার ভেতরে ওর ছয় ইঞ্চি প্রবেশ করালো... আমি চিৎকার দিয়ে বললাম না আপু প্লীজ বের করো আপু কিন্তুর কথা যেনো শুনতেই পাচ্ছে না আস্তে আস্তে গতি বাড়াচ্ছে আপু। আমি আপু বলতেই আপু বললো,অহ তুমি মেয়ে হবা,মজা নিবা, ফেসবুকে প্রেম করবা আর এইটুকু কষ্ট সহ্য করবা আর এটুকু না করলে মেয়ে জীবনের কোন স্বাদই পাবে না তুমি বলতে বলতে তিন চার মিনিট গেছে,আপু আরও গতি বাড়াছে এখন আর তীব্র ব্যাথা করছে বরং এখন এটা আমি উপভোগও করছি,তাহলে কি আমি সত্যিই মেয়ে যাচ্ছি!! আপু এবার প্রস্টেটে তার স্ট্রাপঅন ম্যাসাজ করা শুরু করলো,৮-৯ মিনিট পর আমার অর্গাজম হলো আর এবারই জীবনের প্রথম পেনিসে টাচ না করে অর্গাজম হলো। আপু স্ট্রাপঅন টা বের করে বেল্ট থেকে খুলে এবার শরীরে করিয়ে ভ্রাইবেটর অন করল,নয় দশ মিনিট পর আপুরও অর্গাজম হলো। আপু বললো যা ফ্রেশ হয়ে আয়। আমি বাথরুমে ঢুকে শাওয়ার শেষে বুকে টাওয়েল পেঁচিয়ে বের হয়ে দেখি আপু দরজার সামনে দাড়িয়ে,আমাকে ঝাড়ি দিয়ে বললোবের হও আমি ফ্রেস হবো। আমি বের রুমে এসে ল্যাপটপ অন আমি সেদিকে মনোযোগ না দিয়ে মনোযোগ দিলাম বিছানায় আপুর রাখা লাল কালারের ব্রা,প্যান্টি আর একিই কালারের ফিনফিনে পাতলা নাইটির দিকে। আমি আগে ব্রা,প্যান্টি আর নাইটি তা পড়ে নিলাম তারপর ড্রেসিং টেবিলের সামনে বসে নিজেই হালকা একটা মেকআপ নিলাম। আপু বের হয়ে বললো তুইতো মেকাপে আমার চেয়েও এক্সপার্ট হয়ে গেছিস আয় ঘুমাবো বলে আপু শুইছে আমি ব্বললাম আপু ল্যাপটপ টা তো অন!! আচ্ছা এদিকে দে, একটা কাজ করছিলাম। আমি ল্যপটপটা নিয়ে বিছনায় শুয়ে দেখছি আপু ভাইয়াকে একটা ভিডিও মেইল করছে ,আমি আপু কিসের ভিডিও? আপু বললো দেখবি দাড়া দেখাচ্ছি বলে ১৪ মিনিটের একটা ভিডিও প্লে করলো আমি প্রথমে দেখেই কেঁদে ফেললাম আর আপুকে বললাম তুমি আমার সাথে এটা করতে পারলে? আমাকে না বলেই ভিডিও করেছো আর সেটা আবার ভাইয়াকে সেন্ড করলা!! আপু শুধু বললো অযথা ভূল বুঝিস না আপু,আমি তো বোন আর আমি এমন কিছু করব না যাতে তোর ক্ষতি হবে। কাল তোর ভাইয়ার অফিস ছুটি তাড়াতাড়িই আসবে তাই তাড়াতাড়ি ঘুমা সকালে উঠতে হবে,এই বলে আপু ঘুমিয়ে গেলো কিন্তু মাথায় আগামীকালের চিন্তা কারণ আমার নারী স্বত্তা বলে দিচ্ছে আগামীকাল কি ঘটতে চলেছে.....................(চলবে)

[এটা আমার লিখা প্রথম ক্রসড্রেসিং এর গল্প ,চেষ্টা করেছি নিজের বেষ্টটাই দেওয়ার বাকীটা আপনাদের হাতে কারন আপনারাই আমার লিখার প্রান। যেহেতু নতুন চেষ্টা করেছি ভূল এড়ানোর কিন্তু যেহেতু মানুষ তাতে ভূল হওয়াটা স্বাভাবিক। আশা সবাই ভুল থাকলে শুধরিয়ে দেবেন আর আর মন্তব্য করবেন,সাজেশন দেবেন আর কি ধরনের গল্প চান সেটা জানাবেন তাতে আমার লিখার অনুপ্রেরণা বাড়বে আর ইনশাআল্লাহ আরো ভালো গল্প উপহার দিতে পারবো।]

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন

2 মন্তব্যসমূহ

  1. ক্রসড্রেসার গল্প আমার খুব ভালো লাগে। আমি নিজেও লিখি। আমার লেখা গল্প কিভাবে পাঠাতে পারি?

    উত্তরমুছুন
  2. আমি নিজেও একজন ক্রসড্রেসার

    উত্তরমুছুন