নীলা ২

কিছুক্ষনের মধ্যেই আমরা পৌঁছে গেলাম। এয়ারপোর্ট থেকে বের হয়েই দেখি ওর বেশ কয়েকজন কলিগ আমাদের গাড়িতে নেওয়ার জন্য অপেক্ষা করছে। আমাকে ও সবার সাথে পরিচয় করিয়ে দিল। দেখলাম সবাই বেশ মুগ্ধ দৃষ্টিতে আমার দিকে তাকিয়ে আছে । ভীষণ ভাল লাগছিল তখন। আমরা সবাই গিয়ে গাড়িতে উঠলাম । বাসায় পৌঁছে গেলাম তাড়াতাড়ি। বাসায় ঢুকেই দেখি পুরো বাসা সুন্দর করে সাজানো হয়েছে। বেশ ছিমছাম নিরিবিলি বাসা। তিন বেড রুম, একটা ড্রয়িং , একটা ডাইনিং , সাথে খুব সুন্দর একটা বারান্দা। রান্নাঘরটা বেশ সাজানো। নিজের সংসার বলে কথা। ভাললাগা মিশ্রিত অন্যরকম একটা অনুভুতি হচ্ছিল। বাসায় কোন কাজের মেয়েকে দেখলাম না। বুঝলাম সব কাজ আমাকেই করতে হবে। বেলা গড়িয়ে তখন শেষ বিকেল । গোসল করা দরকার ছিল। বাথরুমে ঢুকলাম। পরচুলা খুললাম , মেকআপ তুললাম, ব্রেস্ট জোড়া খুলে রাখলাম।বাথরুমের আয়নায় নিজেকে অনেকক্ষণ দেখলাম। আগের আমি আর এখনকার আমি বুঝতে চেষ্টা করছিলাম। গোসল করলাম অনেক সময় নিয়ে। গোসল শেষ করে আবার ওগুলো আগের মতো পড়লাম। একটা বড় তোয়ালে দিয়ে বুক পর্যন্ত ঢেকে বাইরে আসলাম। বাইরে এসে দেখলাম আসিফ বসে আছে। আমাকে এভাবে দেখে মনে হয় ও একটু ইতস্তত করছিল। আমাকে জিজ্ঞাসা করল, " রান্না করতে পারবে নাকি কাজের লোক রাখব?" আমি বললাম , " কাজের লোক রাখার আপাতত দরকার নেই , আমি নিজেই রান্না করতে পারব, রত্না আপু আমাকে সব শিখিয়ে দিয়েছে ।" ও বাইরে চলে গেল। আমি আয়নার সামনে দাড়িয়ে নিজেকে দেখলাম। সুটকেস খুলে হাল্কা লাল একটা শাড়ি বের করলাম, সেই সাথে একটা ব্লাউজ। প্রথমে ব্রা পড়লাম। তারপর ব্লাউজ। হাল্কা সাজলাম। চোখে একটু কাজল দিলাম, ভ্রুটা ঠিক করলাম, পরে একটু লিপস্তিক দিলাম। পড়লাম শাড়িটা। কানের দুল আর একটা চেন পড়লাম। আয়নায় দেখে বুঝলাম হাল্কা সাজেও আমাকে অনেক সুন্দর লাগছে। কিছুক্ষন পরে কলিংবেলের শব্দ। দরজা খুললাম। দরজা খুলেই দেখি একজন মহিলা দাড়িয়ে। আমাকে দেখে বলল, ' আপনি নিশ্চয়ই নীলা ভাবী? আমি আপনার পাশের ফ্ল্যাটে থাকি। " আমি তাকে ভিতরে নিয়ে আসলাম। অনেক গল্প গুজব হল তার সাথে। ভাবির ২ বছরের এক বাচ্চা আছে। সে আমার অনেক প্রশংসা করল। ভাবী আমার চেয়ে ২-৩ বছরের বড়। ভাবির সাথে বেশ ভাল সম্পর্ক গড়ে উঠল। রাত তখন ৯ টা। ভাবী বিদায় নিল। আমি গিয়ে রান্না শুরু করলাম। রাত ১০ তার দিকে আসিফ এল। আমরা একসাথে খেতে বসলাম। আসিফ রান্নার বেশ প্রশংসা করল। তারপর বলল,' পাশের বাসার ভাবির সাথে তোমার পরিচয় হয়েছে? আমি বললাম, 'হ্যাঁ'। আসিফ বলল, ' ভাবী অনেক ভাল। একা লাগলে ভাবির সাথে সময় কাটিয়ো। আমি তো সময় পাইনা যে তোমাকে নিয়ে একটু ঘুরতে যাব। ' খাওয়া শেষ করে ঘরটা একটু পরিস্কার করে ঘুমাতে গেলাম।গিয়ে দেখি আসিফ পাশের ঘরে ঘুমিয়েছে। আমি মুচকি হাসলাম। সবাই আমাকে ওর বউ জানলে কি হবে। আমি তো আর আসল বউ নই। পরচুলা খুললাম, মেকআপ তুললাম, ব্রেস্ট জোড়া খুলে রাখলাম।নাইটি পড়লাম। তারপর ঘুমাতে গেলাম। পরদিন সকালে ঘুম থেকে উঠে পড়লাম। নাস্তা বানালাম। আসিফ নাস্তা খেয়ে অফিসে চলে গেল। আমি বাসার টুকটাক কাজ সেরে গোসল করে টেলিভিশন দেখতে বসলাম। সারাদিন অলস সময় কাটল। রত্না আপুর কথা মেনে চলতে লাগলাম। আপুর সাথে প্রতিনিয়ত কথা হত। রূপচর্চা করতে লাগলাম। কোন সমস্যা হলে আপুকে ফোন দিতাম। এভাবে কেটে গেল বেশ কয়েকদিন। ততদিনে মানিয়ে নিয়েছি পরিবেশের সঙ্গে। সংসার মোটামুটি গুছিয়ে নিয়েছি। আসিফের সাথে মাঝে মাঝেই শপিং এ যেতাম। টুকটাক কেনাকাটা করতাম। বিভিন্ন অনুষ্ঠানে যেতে হত প্রায়ই। আমার ভীষণ ভাল লাগত সেজেগুজে অনুষ্ঠানে যেতে। বেশি ভালো লাগত যখন অনুষ্ঠানে অনেক ভাবিদের সাথে পরিচয় হত। সংসারের গল্প হত অনেক। আমি তো নতুন বউ। সবাই নানা পরামর্শ দিত সংসারের ব্যাপারে। আমিও খুব আগ্রহ নিয়ে শুনতাম। আমি এখন একজন আদর্শ গৃহিণী। পাশের বাসার ভাবির সাথেও প্রায়ই বাইরে যেতাম। ভালোই লাগত। একদিন বিকালে ভাবী বলল বিকালে তার সাথে শপিং এ যেতে । আমিও রাজি হলাম। বেগুনী, সবুজ আর কমলা রঙের একটা শাড়ি পড়লাম। পেটিকোট পড়লাম নাভির নিচে। নকল ব্রেস্টটা খুলে আবার লাগালাম। আঠা তো লাগানোই ছিল, ভালো মতো চাপ দিয়ে বসিয়ে দিলাম। কিছুক্ষণ পর যখন আঠা ভালো মত বসে গেল তখন রত্না আপুর দেওয়া সেই ক্রিমটা লাগালাম চারপাশে। যখন বাসায় থাকতাম তখন এত কিছু ব্যবহার করতাম না। কিন্তু বাইরে গেলে বেশ সময় নিয়ে বুকটা সাজাতাম। ভয় হত যদি ঠিকমত না লাগে? মাঝে মাঝে বের হওয়ার আগে ব্রেস্টটা ভাল মত টেনে টেনে দেখতাম আঠা ঠিকমত লেগেছে কিনা। ক্রিমটা লাগানোর পরে বুকটা অনেক ভরাট মনে হল। একদম আমার শরীরের রঙের সাথে মিশে গেল। কিছুক্ষন পর ব্রেস্টটা ভাল মত টিপে আর টেনে দেখলাম ঠিক আছে কিনা। বেশ ভাল মতই ওটা আমার শরীরে লেগে গেছে। কোন পুরুষ যদি এখন আমার ব্রেস্ট নিয়ে অনেকক্ষণ খেলাও করে তবুও ওটা এতটুকু নড়চড় হবে না আমি নিশ্চিত। তারপর ব্রা পড়লাম। ম্যাচিং একটা ব্লাউজ পড়লাম। চুল পিছনে খোপা করলাম। খোঁপায় বেলি ফুলের মালা পেচিয়ে নিলাম।ভ্রু টা ঠিক করলাম ।তারপর কাজল দিলাম চোখে । কপালে টিপ।কানে পড়লাম দুল আর গলায় মালা। মোটামুটি হাল্কা সাজ। তারপর ভাবির বাসায় গিয়ে কলিংবেল টিপলাম। কিছুক্ষন পর একজন মধ্যবয়স্ক লোক দরজা খুলে দিল। বুঝলাম ইনি ভাবির হাসব্যান্ড। আমাকে দেখে ভাবী কাছে এল। আমাকে তার হাসব্যান্ডের সাথে পরিচয় করিয়ে দিল। ভাবীর হাসব্যান্ডের নাম পাশা। বিজনেস করেন। আমাকে বসিয়ে রেখে ভাবী রেডি হতে ভেতরে চলে গেলেন। পাশা ভাই আমার সাথে গল্প করতে লাগলেন। কতদিন বিয়ে হয়েছে, কি করছি এইসব আর কি। এর মধ্যে ভাবী রেডি হয়ে এল। পাশা ভাই বলল, " আমি তো ওদিকেই যাব, চলো তোমাদের নামিয়ে দেই।" পাশা ভাই নিজেই ড্রাইভ করতেন। আমাদের মার্কেটে নামিয়ে দিয়ে উনি নিজের কাজে চলে গেলেন। আমরা শপিং করলাম। রাত প্রায় আটটার সময় বাসায় চলে আসলাম। এসেই সেই সংসারের যাবতীয় কাজ। ভাবীর পরিবারের সাথে বেশ ভাল সম্পর্ক তৈরি হল। পাশা ভাইয়ের সাথেও বেশ ভাল সম্পর্ক তৈরি হল। প্রায় প্রতিদিন বিকালে ভাবীর বাসায় আমরা আড্ডা দিতাম। মাঝে মাঝে এদিক সেদিক ঘুরতে যেতাম । একদিন বিকালে ভাবীর বাসায় গিয়ে দেখি ভাবীর অনেক জ্বর। কিছুক্ষণ ভাবীর পাশে বসলাম। ভাবীর বাচ্চাটা অনেক কাণ্ণা করছিল। ওকে কোলে নিয়ে কিছুক্ষণ হাটলাম। কিন্তু কোন লক্ষণ নেই কান্না থামার। ভাবী আমাকে বলল ওকে নিয়ে বাইরে কিছুক্ষণ ঘুরে আসতে। পাশা ভাই -ও তাই বলল। কিন্তু ভাবীকে এভাবে রেখে আমার বাইরে যেতে ইচ্ছা করছিল না। আমার ইতস্তত দেখে ভাবী পাশা ভাইকেও আমাদের সাথে যেতে বলল। পাশা ভাই না করলেন না। কিছুক্ষন পর আমরা বের হলাম। পাশা ভাই ড্রাইভ করছিল। আমি বাচ্চা কোলে নিয়ে পাশের সিটে বসে ছিলাম। কিছুক্ষন পর একটা মার্কেটের সামনে আমরা থামলাম। ভিতরে হাঁটতে হাঁটতে একটা খেলনার দোকানে ঢুকলাম। নানান রকমের খেলনা সেখানে। আমরা দেখতে লাগলাম। দোকানের সেলস গার্লটি কাছে এসে বাবুর গাল টেনে দিয়ে বলল, " আপনার মতো আপনার বাচ্চাটাও অনেক সুন্দর ভাবী। দেখতে তো একদম ভাইয়ার মতো হয়েছে। " আমি পাশা ভাইয়ের দিকে তাকালাম। দেখলাম উনি মিটিমিটি হাসছেন। আমি একটু লজ্জাই পেলাম। কিন্তু সেই সাথে ভালোও লাগছিল। আমরা অনেকক্ষণ অনেক দোকানে ঘুরলাম। সবাই দেখলাম আমাকে বাবুর মা মনে করছে। আমিও এই ব্যাপারটিকে স্বাভাবিকভাবে নিলাম। পাশা ভাইও স্বাভাবিক হয়ে গেলেন। এরপর যতক্ষণ ঘুরলাম ততক্ষন আমি নিজেকে বাবুর মা আর পাশা ভাইয়ের বউ মনে করে আচরন করলাম। পাশা ভাইও আমাকে নিজের বউ মনে করে কথা বললেন। গাড়িতে করে যখন ফিরছিলাম তখন খুব ইতস্তত বোধ করছিলাম। তবে সেদিনের পর থেকে পাশা ভাইয়ের সাথে সম্পর্ক অনেক সহজ হয়ে এল। সেদিনের মত বাসায় চলে গেলাম। সেদিনের এই ঘটনায় পাশা ভাইও মনে হয় বেশ আনন্দ পেয়েছিলেন। ভাবী অসুস্থ থাকায় সেদিনের পর থেকে বাবুকে নিয়ে প্রায় সময় বাইরে ঘুরতে যেতাম পাশা ভাইয়ের সাথে। উনার সাথে আমার সম্পর্ক অনেক বেশি সহজ হয়ে গেল। বাবুকে নিয়ে বাইরে গেলে আমি নিজেকে পুরোপুরি মা ভাবতাম আর উনি আমাকে তার স্ত্রী মনে করে কথা বলতেন। সম্পর্ক আপনি থেকে তুমিতে নেমে আসলো খুব সহজেই। তবে সেটা যখন আমরা বাইরে বের হতাম তখনই। ভাবীর সামনে আমরা পরস্পরকে আপনি করেই বলতাম। আস্তে আস্তে পাশা ভাই আমার প্রতি যে দুর্বল হয়ে পড়ছিলেন সেটা স্পষ্ট বুঝতে পাচ্ছিলাম। আমিও প্রশ্রয় দিতাম এই পাগলামিকে। বেশ সেজেগুজে বাইরে বের হতাম। একদিন গাড়িতে উনি আমাকে বললেন, " নীলা, তোমার যদি বিয়ে না হত তবে তোমাকে আমি ছাড়তাম না।" আমি দুষ্টু হাসি হেসে বললাম," কি করতে শুনি?" উত্তরে সে বলল," তোমাকে বিয়ে করতাম আর আমার বাবুর সত্যি সত্যি মা বানাতাম।" আমি চুপ করে রইলাম। পাশা ওর বাম হাত দিয়ে আমার ডান চেপে ধরল। আমি বাধা দিলাম না। পুরোটা সময় ও এভাবে আমার হাত চেপে ধরে এক হাতে ড্রাইভ করল। ভাবী ইতিমধ্যে সুস্থ হয়ে উঠেছে। আগের মত পাশার সাথে বাইরে ঘোরা হত না। তবে ফোনে প্রতিদিন কথা হত আর বাসায় বিকালে দেখা হত প্রায় প্রতিদিন। ওকে দেখেই বুঝতাম আমার সঙ্গ ও ভীষণ মিস করছে। আমাকে কাছে পাওয়ার যে আকুতি ওর মধ্যে প্রবল সেটা ও ফোনে সবসময় বলত। একদিন দুপুরে গোসল করে রান্নার প্রস্তুতি নিচ্ছি। এমন সময় পাশা'র ফোন। রিসিভ করতেই বলল, "আমি বাসার সামনে মোড়ে গাড়িতে বসে আছি। তুমি তাড়াতাড়ি এসো।" আমি তাড়াতাড়ি সাজতে বসলাম। বুকটা ভাল করে সাজিয়ে নিলাম।ভাল মত পরীক্ষা করে দেখলাম বেশি চাপে খুলে আসে কিনা। না , খোলার কোন সম্ভাবনাই নেই।মোটামুটি হাল্কা একটু সেজেই বাইরে বের হলাম।গিয়ে দেখি পাশা আমার জন্য অপেক্ষা করছে। আমাকে দেখেই ও দরজা খুলে দিল। ভিতরে পিছনের সিটে বসলাম। ও গাড়ি স্টার্ট দিল। একটানে গাড়ি টেনে শহরের বাইরে এক নির্জন জায়গায় এনে থামাল। ও কোন কথা না বলে স্টার্ট বন্ধ করল। তারপর ঘুরে পিছনের সিটে এসে আমাকে টেনে ওর বুকের কাছে নিয়ে পাগলের মতো আমার ঠোঁটে চুমু খেতে শুরু করল। আমি চমকে উঠলাম। কিছু বলার কোন সুযোগই পেলাম না। আমিও কিছুক্ষন চুপচাপ থাকার পরে ওকে চুমু খেতে লাগলাম। চুমুতে চুমুতে ভরিয়ে দিতে লাগল আমার ঠোঁট। সব লিপস্টিক মুহূর্তেই হাওয়া হয়ে গেল। আমাকে আরও জোরে কাছে টেনে নিল। সেই একই ভাবে চুমু চলতে থাকল যেন অনন্তকাল পার হয়ে যাবে। তারপর আমাকে টেনে সিটে শুইয়ে ফেলল পাশা। আমাকে ওর হাতের উপরে তুলে আরও জোরে কাছে টেনে নিল। তারপর আবারো অনবরত চুমু খেতে লাগল গলায় , কপালে ,গালে সব জায়গায়। ওর জিহবা দিয়ে আমার জিহবা টেনে চুষতে লাগল। গলার নিচে চুষতে চুষতে লাল বানিয়ে ফেলল। তারপর ও আমার শরীরের উপরে উঠল। আমার দু হাত চেপে ধরে আমার স্তনে অনবরত চাপতে আর কামড়াতে লাগল। দু হাত দিয়ে বুক চাপতে লাগল আমার । আমার মুখ দিয়ে অস্ফুট শব্দ বের হয়ে এল । ও যেন পাগল হয়ে গেল। আমার ডান স্তনটি কাপড়ের উপর দিয়ে ও পুরোটাই মুখে ঢুকিয়ে নিল। জোরে জোরে চুষতে লাগল। আমিও কপট সুখের অভিনয় করতে লাগলাম। এরপর টান দিয়ে আমার ব্লাউজের গলা আমার স্তনের নিচে টেনে আনল ও। আমার ফর্সা স্তন দুটি ও সরাসরি চুষতে লাগল। আমি নিজেই অবাক হয়ে গেলাম আমার নিজের এত সুন্দর স্তন দেখে। ও শুধু বলল, "নীলা তোমার স্তন দুটি তোমার রুপ কে আরও হাজারগুন বাড়িয়ে দিয়েছে। তোমার স্বামী অনেক ভাগ্যবান ।" ভীষণ ভাল লাগছিল ওর কথা শুনে।স্তনে কামড়ে কামড়ে আমাকে পাগল করে তুলল। অনেকক্ষণ ধরে চলল ওর এই খেলা। এরপর ও ওর প্যান্টের জিপার খুলল। আমার হাত টেনে ওর পুরুষাঙ্গে ঘষতে লাগল। তারপর ওটা আমার স্তনের সাথে ঘষতে লাগল। এরপর আমাকে টেনে এক ঝটকায় ওর উপরে নিয়ে আসল। ওর পুরুষাঙ্গের কাছে আমার মুখটা এনে লাগিয়ে দিল। আমিও ওটাকে মুখে পুরে নিলাম। একটা নোনতা নোনতা স্বাদ পেলাম। তারপর ওটাকে চুষতে লাগলাম জোরে জোরে। এক পর্যায়ে ও ভীষণ উত্তেজিত হয়ে উঠল। বারবার চেষ্টা করতে লাগল আমার প্যানটি খোলার। আমি আরও জোরে জোরে চুষতে লাগলাম যাতে ও বীর্যপাত করে ফেলে। চুষতে চুষতে একপর্যায়ে ও বীর্যপাত করে ফেলল। এবার ও কিছুটা শান্ত হল। আমিও কিছুটা নিশ্চিন্ত হলাম। তবে ওর মধ্যে কিছুটা আফসোস হল আমার সাথে সেক্স পুরোপুরি করতে পারল না বলে। আমি ওকে সান্ত্বনা দিয়ে বললাম সময় তো আর চলে যায় নি, পরে নিশ্চয়ই হবে। আমরা কিছুক্ষণ পরে বাসায় চলে আসলাম। ততদিনে এক মাস পার হয়ে গেছে। পাশার সাথে যখন বাসায় দেখা হত , ওর বউ আশে পাশে না থাকলে আমাকে জড়িয়ে ধরে ইচ্ছামতো চুমু খেত। আমিও বাধা দিতাম না। তবে একসাথে দুজনের বাইরে যাওয়ার সুযোগ আর হয় নি। ততদিনে সংসার বেশ ভালভাবেই গুছিয়ে নিয়েছি। এবার ভাবলাম আমার ঢাকা ফিরে আসা দরকার। আসিফকে বললাম।আসিফ সায় দিল। তবে শর্ত দিল মাঝে মাঝে এখানে আসতে হবে। আমি যে তার বউ। অন্তত সবাইকে তো দেখাতে হবে যে আমি তার বউ। সবার কাছ থেকে বিদায় নিলাম। ঢাকায় চলে আসলাম। আবারো সেই যান্ত্রিক জীবন। তবে ভাল লাগত যখন ভাবতাম মাঝে মাঝেই তো আমাকে আসিফের ওখানে যেতে হবে। না গিয়ে কি উপায় আছে? আমি যে এখন একজনের বউ।

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন

0 মন্তব্যসমূহ