ঘুম ভাঙল আপুর ডাকে , ঘড়ির দিকে তাকিয়েছিস?... কিরে উঠবি না!! আমি বললাম আমিতো জেগেই আছি। প্রথমেই বুঝলাম পুরো শরীরটা ব্যথা আর চোখ খুলে তাকাতেই আপুকে দেখলাম,কখন উঠেছে জানি না তবে এটা বোঝা যাচ্ছে আপুর শাওয়ার শেষ। রিমি আপু ঢাকায় একটা প্রাইভেট ইউনিভার্সিটি তে ফ্যাশন ডিজাইনে পড়ছে আর ভাইয়ার নাম শাহেদ। আপু একটা ডেনিম জিন্স আর হলুদ রঙের টপস পড়েছে। না মেকআপ করে নি তারপরও আমি বললাম আপু তোমাকে অনেক কিউট লাগছে। আপু হেসে বললো আর বাতাস দিতে হবে না,ওঠ আর শাওয়ারটা সেরে নে। যখন ওয়াশরুম থেকে বের হয়েছি,দেখলাম আপ ড্রেসিংটেবিলের সামনে আর বিছানায় সেইম কালারের ড্রেস। এর আগে কখনও একই কালারের ড্রেস পড়ি নি আমি। কিরে টাওয়েল জড়িয়েই থাকবি নাকি ড্রেসগুলো পড়বি! ও হ্যাঁ তাইতো, আমি ব্রা, প্যান্টি , জিন্স আর টপসটা পড়ে নিলাম। মাথায় গতোরাতের উইগটা আছে। এবার আপু হালকা একটা মেকআপ করিয়ে দিলো। যখন আমাদের সাজা শেষ তখন ঘড়িতে ১২ঃ২০। আপু বললো চল কিছু খাই, আমি বললাম আবার বাইরে যাবো? না বিকেলে তোর যুথি আপুরা আসবে আর রাতে তোর ভাইয়া আসবে সো চল রান্নাটা করেই ফেলি। রান্না শেষে আমরা দুই বোন মিলে খাবার পর্বটাও সেরে নিলাম। আমার দুপুরে ঘুমানোর অভ্যাসটা আর যাবে না মনে হয়। কখন ঘুমিয়েছি জানি না তবে ঘুম ভাঙলো জন ভাইয়ার ঠোঁট আর হাতের ছোঁয়াই। আমি হতবাক হয়ে তাকিয়ে আছি। কি হচ্ছে এগুলো আমার সাথে আর আপু কই? একটা রকমের প্রশ্ন মাথায় কাজ করছে,আমি কি ঘুমিয়ে স্বপ্ন দেখছি নাকি এগুলো সস্ত্যিই ঘটছে! সোফার দিকে তাকিয়ে দেখি রিমি আপু ফারহান ভাইয়া আর যুথি আপু সায়েম ভাইয়া একসাথে বসে লাপটপে বসে কি জানি দেখছে আর আস্তে আস্তে আরও ঘনিষ্ঠে যাচ্ছে। জন ভাইয়কে আমি আগেই থেকেই চিনি তাই আমি একটু সরিয়ে দেবার চেষ্টা করতেই ভাইয়া আরও বেশি আদর করতে লাগলো। আমি এখনও এমন একটা ভাব করেছি যেন কেউ আমাকে আমার ইচ্ছের বিরুদ্ধে আদর করছে কিন্তু কতোক্ষন? আমার পুরূষ স্বত্তাটাকেও অনুভব করছি। হঠাত করেই যুথি আপু উঠে আমার কাছে এসে আমার জিন্সটা খুলে ব্লোজব শুরু করলো। একটুপর আমার অর্গাজম হয়ে গেলো। আমি নিজেকে আর কোনোভাবেই মেয়ে বলে মেনে নিতে পারছি না কিন্তু আমার আর কিছু করার নেই কারন ততোক্ষনে জন ভাইয়ার ৭ ইঞ্চি জিনিসটা আমার মুখে আর ফারহান ভাইয়া আমার প্যান্টিটা খুলছে। বুঝতেই পারছি পরে কি ঘটতে চলেছে। আমি কিছু বলবো কিন্তু তার আগেই যুথি আপু হাসতে হাসতে বললো চল আর কিছু করার নেই এটা হলেই তুইও একটা সত্যিকারের মেয়ে। আর এদিকে ফারহান তার ৮ ইঞ্চি লম্বা আর ৪ ইঞ্চি মোটা পেনিসটা একটু লিউব লাগিয়ে আমার বয়পুসিতে ঢুকিয়ে দিয়েছে,আমি চোখে আর কিছু দেখছি না। মনে হচ্ছে কেউ একটা গরম রড আমার মধ্যে ঢুকিয়ে দিয়েছে। কখন জ্ঞান হারিয়েছি জানি না কিন্তু ব্যথা নিয়ে যখন তাকালাম দেখি ফারহান এর জায়গাই জন,সে সজোরে চুদেই যাচ্ছে আর রিমি আপু হাসতে হাসতে আমাকে বললো ," অনন্যা তুই সত্যিই মেয়ে নাকি!" আর সায়েম যুথি আপু আপুকে চুদছে। একটু ব্যথা করছে কিন্তু আস্তে আস্তে সেটা অন্যরকম আনন্দে। জন চুদছেআর ফারহানের হোলটা আমি তৃপ্তি সহকারে চুষে যাচ্ছি। আমাকে ছেড়ে জন রিমি আপুকে চুদতে শুরু করলো আর ফারহান ওর ৮ ইঞ্চি জিনিসটা সজোরে ঢুকিয়ে দিলো। আমি আমিও কোমরটা হালকা দুলিয়ে ফারহানকে সহযোগীতা করছি। মিনিট দশেক পর ফারহান থামলো আর ওর পেনিসটা আমার মুখে ঢুকিয়ে দিলো,কিছুক্ষন পর ফারহান ওর অর্গাজম টা আমার মুখের মধ্যেই করলো আর আমি লক্ষী মেয়ের মতো পুরোটা খেয়ে নিলাম। তারপর ফারহান আমার ঠোঁটে কিস করে ফ্রেশ হওয়ার জন্য ওয়াশরুমে গেলো। তারপর সায়েম আর জন এর অরগাজমটাও আমার মুখে! আমি তৃপ্তিসহকারে প্রোটিনগুলো গিলে ফেললাম। সবাই ফ্রেস হয়ে বাইরে চলে গেছে। যুথি আপুও চলে গেলো। তখন ঘড়িতে ৫ঃ৩০ মিনিট। যুথি যাওয়ার পর রিমি আপু বললো চল আমরা শাওয়ারটা সেরে নেই। একটা ছেলে আর একটা মেয়ে একসাথে একই ওয়াশরুমে গোসল করছি অথচ আমার কোনো উত্তেজনা নেই,নিজে নিজে চিন্তা করলাম,"তাহলে সত্যিই কি আমি মেয়ে!?!"
আপনারাই আমার লিখার প্রান। যেহেতু নতুন চেষ্টা করেছি ভূল এড়ানোর কিন্তু
যেহেতু মানুষ তাতে ভূল হওয়াটা স্বাভাবিক। আশা সবাই ভুল থাকলে শুধরিয়ে দেবেন
আর আর মন্তব্য করবেন,সাজেশন দেবেন আর কি ধরনের গল্প চান সেটা জানাবেন তাতে
আমার লিখার অনুপ্রেরণা বাড়বে আর ইনশাআল্লাহ আরো ভালো গল্প উপহার দিতে
পারবো যদি আপনারা পাশে থাকেন।
(চলবে)
0 মন্তব্যসমূহ