অনন্য থেকে অনন্যা। পর্বঃ৩

কিরে অন্য তুই তো সব ভুলে গিয়ে টিভির সামনে বসে আছিস? কেন আপু আবার কি হলো? আজ না তোর ভাইয়া আসছে! ওই সাড়ে আটটার মধ্যেই চলে আসবে। ঘড়িতে তাকিয়ে দেখি ছয়টা পনেরো। আমি ফ্রেশ হয়ে এসেছি,এবার টিভি রেখে ফ্রেশ হয়ে আয়। ওকে ম্যাম... আমি যখন ফ্রেশ হয়ে বের হয়ে দেখি আপু নীল রঙের একটা ব্লাউজ আর পেটিকোট পরে মাত্র ড্রেসিং টেবিলের মামনে বসেছে। বিছানায় দেখি সেইম কালারের কনট্যুর ব্রা, ব্লাউজ,পেটিকোট, স্ট্রাপি জি-স্ট্রিং প্যান্টি আর দুইটা নীল বর্ডারের অরেঞ্জ কালারের শাড়ি। আপু আজকেও আমরা সেইম কালারের ড্রেস পড়বো!! হ্যাঁ, তো কি হইছে? না মানে ভাইয়া কি মনে করবে!! টুইষ্ট আছে ডারলিং... কি টুইষ্ট আপু? কথা না বাড়িয়ে তাড়াতাড়ি পড়ে ফেল। পড়তেই যখন হবে তখন পড়ে ফেলাই উত্তম। প্যান্টি আর পেটিকোট পড়ার পর ব্রা টা পড়তে যাবো এর আগেই আপুর চিৎকার, অন্য দুই মিনিট দাঁড়া আমি রুম থেকে যাবো আর আসবো। কেনো আপু? কথা কম জাষ্ট দুই মিনিট বোন। আপু দুই মিনিটের আগেই আসলো কিন্তূ আপুর হাতটা পেছনে। চোখ বন্ধ কর, চোখ খোলার পর আমি অবাক আপুর হাতে প্রসথেটিক ব্রেষ্ট ফর্ম। ব্রেষ্টটা মিডিয়াম সাইজের,ওয়াইড: ৭.৯ ইঞ্চি, লংসাইডঃ ৬ ইঞ্চি আর থিকনেসঃ ৩,৫ ইঞ্চি। এগুলা তুমি কই পাইলা আর আপু এগুলা কামনে পড়বো আমি? আমি আছি কেন তাহলে !!! ব্রেষ্ট ফর্মটা পড়ার পর আমার নিজেরই মনে হচ্ছে এটা আমার রিয়েল ব্রেষ্ট। কনট্যুর ব্রা আর ব্লাউজটা পড়লাম আমি। আয় তোর মেকআপটা আগে করিয়ে দেই দেন আমি করে নিবো। আমি বললাম থাক,"নিজের কাজটা আমি নিজেই করতে পারবো।" কথাটা স্বাভাবিকভাবেই বলেছি কিন্তু আপুর সে পরিচিত হাসিই দেখেই বুঝেই ফেললাম আরেকটা ভুল করেছি। আপু বললো,"ও হ্যাঁ ইউটিউব এর সাবস্ক্রিপশান করা চ্যানেলগুলার কথা তো আমি ভুলেই গেছিলাম।" আমি কথাটার অন্যদিকে মোড় দেওয়ার জন্য বললাম, আপু আমি তো জাষ্ট ফান করলাম। আমি একা ক্যামনে করবো? অনেক ঢং হয়েছে আমি আমার রুমে গেলাম তুই থাক। আপুওও বলে ডাকলাম কিন্তু আপু ততোক্ষনে তার রুমে চলে গেছে। আর কি করার ড্রেসিং টেবিলের সামনে বসলাম। ইউটিউব এর কল্যানে যা শিখেছি তা খুব কমও না আর এদিকে হাতে সময় নষ্ট না করে কাজে নেমে পড়লাম। প্রথমে পুরো মুখে হালকা ময়শ্চারাইজার লাগিয়ে নিলাম। ফাউন্ডেশন ব্রাশ দিয়ে হালকা কালারের ফাউন্ডেশন আর ব্রোঞ্জার লাগিয়ে নিলাম। দেন ব্রাইট অরেঞ্জ কালারের ব্লাশ আর মেকআপ দীর্ঘস্থায়ী এবং চকচকে ভাব কমানোর জন্য শেষে লাগিয়ে নিলাম। এবার চোখের পালা, প্রথমে আঙ্গুলের দ্বারা চোখের পুরো পাতায় আইশ্যাডো বেইস লাগানোর পর ব্লেন্ডিং ব্রাশ দিয়ে ভালোভাবে ব্লেন্ড করলাম। তারপর অরেঞ্জ কালারের আইশ্যাডো লাগিয়ে ব্লেন্ড করে নিলাম। দেন আউটার কর্নারে ব্লাক আইশ্যাডো লাগালাম।মাশকারা, আইলাইনার আর কাজল লাগিয়ে চোখের পর্ব শেষ। ঠোঁটটা প্রথমে লিপলাইনার শেষে অরেঞ্জ কালারের লিপ্সটিক আর নখে সেইম কালারের নেইলপলিশ। সাজুগুজু করে আমরা একটু ফটোশেস্ন করলাম। যেহেতু ভাইয়া না আসা পর্যন্ত কোনো কাজ নেই তাই দুই বোন টিভির সামনে বসে গেলাম। আটটা বাজার মিনিট দশেক আগে আপু বললো অন্য তোর ভাইয়ার সাথে কথা হয়েছে ওর আসতে কমপক্ষে আধা ঘন্টা। তার আগে আমি ওয়াশরুম থেকে আসি দেন তুই যাস আর তুই যে লেজি তাতে তুই আগে গেলে আমার আর যাওয়া হবে না(কিছুটা টিটকারির সুরে)। আমি সরল মনে বললাম আচ্ছা বাবা তুমিই আগে যাও । আপুও ওয়াশরুমে ঢুকেছে,দুই মিনিট ও হয় নাই আর এর মধ্যেই কলিংবেলটা বাজলো। আমার কণ্ঠ তো মেডিসিনের প্রভাবে মেয়েদের মতো হয়েই আছে তাই আমি ভাবলাম আগে জিজ্ঞেস করি কে আর সবাই তো জানেই আপু আছে সো নো প্রব। আমি এপাশ থেকে বললাম কে? উত্তর শুনে আমিতো পুরো হ্যাং, মানে শাহেদ ভাইয়া। আমি আর দেড়ি না করে ওয়াশরুমের দরজায় গিয়ে বললাম আপু ভাইয়া এসেছে। ওপাশ থেকে উত্তর এলো তুই যাহ, গিয়ে খুলে দে। আর এদিকে ভাইয়া কলিংবেল চাপতেই আছে । যাহ পাগলি খোল দরজাটা। আপু আমি এভাবে দরজা খুলবো!! না আপু তুমি তাড়াতাড়ি বের হও। আমার এখনো পনেরো মিনিট। তুই একটা কাজ কর তুই যাবি দরজাটা খুলেই চলে আসবি আর এর মধ্যেই আমিও বের হচ্ছি আর কলিংবেল তো বাজছেই। মনে মনে ভাবলাম আপুর কথা মন্দ নয়, তাইলেই সেটাই করি। আমি দরজাটা খুলেই উলটোপথে ড্রয়িং রুমের দিকে যাবো কিন্তু টেনশানে আপুর রুম এর দিকে হাটতে থাকলাম। শাহেদ ভাইয়া বললো রিমি কি ব্যাপার কথা না বলেই কই যাচ্ছো? আমি জানতাম তুমি আমার পছন্দের শাড়িটাই পড়বা । আমি বুঝে গেলাম সেইম কালারের শাড়ি পড়ার টুইষ্টটা কি? কথা বলছো না ক্যান? আমি জাষ্ট ভাইয়ার কথাগূলো শুনে মজা নিচ্ছি। ওকে যাও আমি আর কথা বলবো না । আমি মনে ‍ মনে বললাম সেটাই ভালো আর আপুকে গালি দিচ্ছি। কি করছে আপু এতোক্ষন? হঠাৎ শাহেদ ভাইয়া আমাকে পেছনে থেকে ডানহাতে আমার কোমরটা জড়িয়ে ধরলো আর বাম হাতে আমার ডান স্তন চাপতে লাগলো আর গলায় কিস করতে শুরু করলো । আপুও ওয়াশরূম থেকে বের হয়েই আমার চোখের দিকে তাকিয়ে ইশারাই বললো ১০ মিনিটে আসছি, চালিয়ে যা,আমি আসছি। এটা যে আপুর প্ল্যান তা আমার বুঝতে দেরি হলো না। ভাইয়া আমাকে কোলে নিয়ে বিছানায় শুইয়ে আমাকে আদর করতে করতে বললো,"আমার বউয়ের রাগ কিভাবে ভাঙ্গাতে হয় সেটা আমি বেশ ভালো করেই জানি। আমি কোনো কথা বলছি না বাট মজা নিচ্ছি এই ভেবে সবাই আমদের দুই বোনকে টুইন বলে কিন্তু তাই বলে ভাইয়াও বুঝলো না!! ভাইয়া কিস করতে করতে আমার শাড়ি , ব্লাউজ , পেটিকোট, কনট্যুর ব্রা খুলে ফেলেছে। আমার শরীরে এখন শুধু স্ট্রাপি জি-স্ট্রিং প্যান্টি। ভাইয়া বললো যাহ করার পরে করবো, বাট রিমি আমার আগে আনলোড করতে হবে। আমি কোনো কথা না বলে ভাইয়ার ফরম্যাল প্যান্টের জিপারটা খুলে মাত্র পেনিসে ঠোঁট দিয়ে কিস করেছি আর এর মধ্যেই শাহেদ ভাইয়া বললো , এই রিমি অন্যকে দেখছি না যে! কোথায় গেছে আমার সেক্সি শালী? আমি কোনো কথায় পাত্তা না দিয়ে আমার মতো করে ললিপপটা চুষতে লাগলাম। ভাইয়া আমার মাথার পেছনে হাত দিয়ে তার ৯/৪.৫ ইঞ্চি পেনিসটা দিয়ে সজোরে আমার মুখটা চুদে যাচ্ছে। মিনিট পাঁচেক পর আপু পেছন থেকে ভাইয়ার কাঁধে হাত দিয়েছে। ভাইয়া পেছনে একবার তাকায় আবার আমার দিকে তাকায়। ভাইয়ার অবস্থা দেখে আমারা দুই বোন হাসতে হাসতে মাটিতে গড়িয়ে পড়ার মতো অবস্থা। অন্য আমার বর টাকে কি তুই কেড়ে নিবি নাকি? ভাইয়া বললো আমাকে বললো তুমি অন্য!!! ভাইয়া এখনো বুঝতে পারে তাই আমরা আবার হাসতে শুরু করলাম। অন্য এবার আমার পালা বলতে বলতে শুধু ব্রা আর প্যান্টি ছাড়া সব খুলে ফেলেছে। আমার কোন প্রতিক্রিয়া না দেখে আপু একটু রাগের স্বরেই বললো অন্য তোকে উঠতে বলছি না? আমি আপুর কথাই কান না দিয়ে আবার ললিপপটা চুষতে শুরু করলাম কিন্তু ভাইয়া আর বেশিক্ষন ধরে রাখতে পারলো না। ৭-৮ মিনিট পর ভাইয়া তার সবটুকু আমার একদম গলায় ঢেলে দিলো। আমি লক্ষী মেয়ের মতো সবটুকু প্রোটিন খেয়ে নিলাম। আপু মুখটা গোমড়া সোফায় বসে আছে। ভাইয়া শাওয়ার এর জন্য ওয়াশরুমে গেলো। আমি আপুকে বললাল কি হইছে তোমার? কই কিছু না । আমি বললাম তাই না? কিন্তু এটা যে তোমার প্ল্যান সেটা কিন্তু আমি বুঝতে পেরেছি। আপু বললো হ্যাঁ প্ল্যান করেছিলাম কিন্তু আমার প্ল্যানটা এতো সূদুরপ্রসারী ছিলো না। আমি একটু ঢং করে বললাম, তাই না! আপু আগেই শুধু ব্রা আর প্যান্টি খুলেছিলো আর পরে সেগুলো পড়েও নি রাগ করে। আপুর মুখটা দেখেই বোঝা যাচ্ছে আপুর কি দরকার। আমি কোনো কথা না বলে আপুর প্যান্টি একটানে খুলে ফেললাম। আপু বুঝেও হাসতে হাসতে বললো এটা করছিস ক্যানো? আমি কোনও উত্তর না দিয়ে আপুর যৌনাজ্ঞ চুষতে লাগলাম। আপু আমাদের লাইভ পর্ণ দেখে উত্তেজিত হয়েই ছিলো তাই মিনিট চারেক এর মধ্যেই আপুও তার মধু ছেড়ে দিলো। আমি প্রোটিন নষ্ট করতে রাজি নই বাকীটা তো বুঝতেই পারছেন। আপু সোফা থেকে উঠে ব্রা টা খুললো আর আমার প্যান্টিটা খুলে আমার পুরুষ স্বত্তা উন্মুক্ত করে দিলো। কিরে তোর এটার এই অবস্থা ক্যান? আমি ইয়ারকি করে করে বললাম তোমার মতো সেক্সি মেয়ে সামনে নগ্ন থাকলে যা হবার তাই হয়েছে। খুব কথা শিখেছিস,দাঁড়া তোকে মজা দেখাচ্ছি বলেই কিস কিস করতে বিছানায় গেলাম। আপু বিছানায় ক্যানো? আপু কথা না বলে পেনিসটা মুখে নিয়ে চুষতে লাগলো। কিন্তু আপুর অভিজ্ঞ ঠোঁটের কাছে পাঁচ মিনিটও নিজেকে টিকিয়ে রাখতে পারলাম না। আমার বোন বলে কথা তাই আপুও প্রোটিন নষ্ট করতে না। আমি আর আপু পাশাপাশি শুয়ে আছি , আপু বললো তোর ভাইয়া একটা হাদারাম। আমি প্রতিবাদের স্বরে বললাম হাদারাম কিন্তু চোদার সময় !!! আপু আমি কিন্তু নিতে পারবো না। আপু মুখ ভেংচি কেতে বললো উমম পারবো না!! থাক আর ঢং করিস না। ভাইয়া শাওয়ার শেষে বের হয়ে আমাদের দেখে বললো এবার কি আমার বউকে শান্ত করতে হবে নাকি? অন্যকেই এখনো শান্ত করতে পারলে না!! কেমন পূরুষ গো তুমি বলেই আমরা দুই বোন হাসতে লাগলাম। আপু ওর দুইটা নাইটি নিয়ে এসে একটা আমাকে দিলো। নাইটি টা এতো স্বছ যে পুরো শরীরের লোমগুলোও দেখা যাচ্ছে। আপু শুধু প্যান্টি আর নাইটি টা পরলো। আপু ব্রা পড়বা না ? নাহ।। আমি পড়ব,থাক ডিনার টা করেই আবার তো আদিম খেলা। চিন্তা করলাম কথা তো সত্যি তাই কথা না বাড়িয়ে নাইটি আর ব্রা পড়ে আমরা গেলাম ডিনার রেডি করতে , আর ভাইয়া খবর দেখছে ...






(চলবে)

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন

2 মন্তব্যসমূহ

  1. দয়াকরে পরবর্তী পার্ট পোষ্ট করুন।

    উত্তরমুছুন
  2. আমি কি কোনোভাবে আপনাকে গল্প পাঠাতে পারি? আমার জীবনের গল্প।

    উত্তরমুছুন