এটি একটি বাংলা ক্রসড্রেসিং গল্প যেখানে ফান্টাসীর জগতে ডুবে থাকা এক ক্রসড্রেসারের অভিজ্ঞতা বর্ণিত হয়েছে। এই ক্রসড্রেসার চটি কাহিনীতে আপনি পাবেন bangla crossdressing story, ক্রসড্রেসিং চটি ও cross dresser meaning in bengali সম্পর্কিত অভিজ্ঞতা।
কাকুর ধমকে চমকে গেলাম আমি।আমি এখন আমাদের নতুন বাসার এক কাকুর ফ্ল্যাটে বসে আছি।কাকু আমার থেকে একটু দূরে বসেছিল।আর কাকিমা গেছে রান্না ঘরে।আসলে আমরা এই পাড়াতে এসেছি মাস তিনেক হলো।আমরা মানে আমি,আমার বড় বোন ও বাবা মা। আর এনি হলেন আমাদের বাড়ি ওয়ালা কাকু।
– মাগী কথা কানে যায় না?
কাকু আবারও ধমক দিলেন।এবার আর না ভেবে উঠে কাকুর কাছে যেতে লাগলাম।তবে ভয় হচ্ছে আবার অবাকও লাগছে।কাকু আমাকে মাগী বলছে কেন! আমি তো ছেলে।অবশ্য অনেকে বলে আমাকে নাকি অনেকটা আমার মায়ের মতো লাগে দেখতে।আমার মা বেশ সুন্দরী।দুধে আলতা গায়ের রঙ।লম্বা চুলগুলো কোমড় ছাড়ায়।আমার গায়ের রঙটাও আমার মায়ের মতো।যই হোক তাই বলে আমাকে মাগী বলবে কেন! এগুলো ভাবলেও মুখ ফুটে বলতে সাহস হচ্ছে না। কাকুকে দেখে ভয় হচ্ছে।কাকু দেখতে একদম কালো কুচকুচে।সুঠাম দেহের গঠন। মুখে বড়সড় একটা গোফ।দেখলেই মনে হয় ডাকাত সরদার।আর আমি এদিকে ভুল করে বসেছি।আসলে আমি একটু বাইরে যাচ্ছিলাম।তা দেখে বাবা বললো।কাকুর সসাথে একবার দেখা করে কিছু টাকা দিয়ে আসতে।আসলে আমাদের অবস্থা এখন ভালো যাচ্ছে না। তাই নতুন জায়গায় এসে প্রথম মাসের ভাড়া দিয়ে।তারপর দুইমাসের ভাড়া আটকে গেল।কাকু বাবাকে অনেকবার বলেছে।তাই মনে হয় বাবা কিছঙ টাকা পাঠিয়েছে।কিন্তু পুরোটা নয়।যাই হোক টাকাটা দিতে হয়তো মা আসতো।কিন্তু কাকিমার সাথে মায়ের কয়েকদিন আগে একটু কথা কাটাকাটি হয়ে গেছে।তাই মা আসতে চায়নি।তো আমি যখন এলাম তখন দেখি দরজাটা খোলা আর ভেতর থেকে কাকিমার চিৎকার ভেসে আসছে।এই সময় কাকু বাসায় থাকে না।তাই ভেতরে ঢুকে দেখতে গিয়ে দেখি,কাকু কাকিমাকে সোফায় ফেলে চুদছে।দুইজন নগ্ন নরনারীর খেলা দেখে আমি কেমন থমকে গেলাম। আমি এর আগেও একবার মা বাবাকে করতে দেখেছি।তবে ওটা রাতের বেলায়।এমন দিনের আলোর মাঝে নয়। চোখের সামনে কাকিমা সুন্দর দেহটা দেখে আমি থ মেরে দাঁঁড়িয়ে রইলাম।আর ধরা খেয়ে গেলাম একটু পরেই।এখন কাকু বলছে বাবাকে সব বলে দেবে।আমার বাবা খুব রাগি মানুষ।আমি ছোট বেলা থেকেই বাবাকে ভয় পাই।
– এতো কি ভাবছিস!বস এখানে।
কাকু তার পাশে সোফায় হাত বোলাতে বোলাতে বললো কথা গুলো।
– তোর নামটা যেন কি?
– প্রতয়
– নাহ্! এই নামে তোকে মানায় না!
– কেন কাকু?
– তুই তো ছেলে না!ভুল করে ছেলে হয়ে জন্মেছিস।
কাকুর কথা শুনে আমি অবাক হয়ে বললাম।কাকু এই সব কি বলছেন আপনি!আমি ছেলে।কাকু কিছু বলবার আগে কাকিমা এক কাপ চা ও এক গ্লাস দুধ নিয়ে এলো ট্রেতে করে।সেগুলো সোফার সামনে টেবিলে রাখতে রাখতে বললো।ঠিকই তো বলেছে,কেন রে তুই নিজে বুঝিতে পারিস না। আমি কি বলবো বুঝতে পারলাম না,এই সব কি বলছে এরা।কাকিমা আমার হাত ধরে সোফা থেকে তুলে আমার বাহুতে হাত বুলাতে বুলাতে বললো।ওগো দেখেছো কী ফর্সা গায়ের রঙ আর কি কোমল ত্বক ও ছেলে হতেই পারে না। কাকু বললো যেটাই তো বোঝাছিলাম ওকে,তুমি এক কাজ করতো রুমে নিয়ে ওকে একটু সাজিয়ে আনো তো দেখি,মেয়ে সাজলে ওকে কেমন লাগে। কথাটা শুনে আমি আতঁকে উঠলাম।কাকিমার থেকে নিজেকে ছাড়িয়ে নিয়ে পালাতে চাইলাম।কিন্তু কাকিমা ধরে ফেললো আমার হাত।তারপর আমার সামনে এসে দাঁড়িয়ে সজোরে তার হাটু দিয়ে আঘাত করলো আমার অন্ডকোষে।ওওওমামমমমমমম..."ব্যথায় কাঁতড়ে উঠলাম আমি।কাকিমা আমার মুখ চেপে ধরলো।যেন বেশি শব্দ না করতে পারি।দ্যাখ এতো ঝামেলা করিস না তো! আমি এখন তোকে রেডি করিয়ে দিব,তুই চুপচাপ যাবি আমার সাথে নাকি আর একটা দেব বল? আমি আর কোন উপায় খুঁজে পেলাম না যাওয়া ছাড়া।একটা খেয়েই আমার দম বেরিয়ে যাবার অবস্থা। তাই কোন মতে বললাম।আর মের না কাকিমা আমি যাবো। এরপর কাকিমা আমাকে টেনে নিয়ে যেতে লাগলো পাশের রুমে।
কাকিমা আমাকে নিয়ে তার রুমে চলে আসলো। তারপর কাকিমা আমাকে তার ড্রেসিংটেবিলের সামনে এনে দাঁড় করাল। ড্রেসিং টেবিলের সামনে আসতেই আমার বুকের ভেতরটা কেমন করে উঠলো। আমার মনে পড়লো আম্মু বাড়িতে না থাকলে আমি আম্মুর ড্রেসিং টেবিলের সামনে চলে যেতাম। ড্রেসিং টেবিলটা দেখতে এত ভালো লাগে আমার!কিন্তু কেন লাগে জানি না।আমি তো মেয়ে না ছেলে।তার পরেও কয়েকদিন আগে আম্মুর একটা শাড়ি গায়ে জরিয়ে নিজেকে দেখছিলাম আয়নায়। নিজেকে দেখে আমার হৃদস্পন্দন বেরে গিয়েছিল সেদিন।মনে হচ্ছিল এখনই কেউ দেখছ ফেলবে।কি কেলেঙ্কারি ব্যপার হবে তখন।
আমি এই সব ভাবছি এমন সময় পাশ থেকে কাকিমা একটা ঠেলা দিয়ে বললো।কি রে দেখেই লোভ হচ্ছে তাই না, একটু সবুর কর।তার পর দেখ আমি কি বানায় তোকে।এমন সাজ সাজাবো যে নিজেকেই আয়নায় দেখে চিন্তে পারবি না।দেখি গেঞ্জিটা খোল দেখি।এই কথা শুনে আমার মাথা থেকে পা পর্যন্ত একটা কেমন যেন শিরশির একটা অনুভূতি নেমে গেল। কাকিমা কি করতে চাইছে!কিন্তু কোন উপায় নেই।আমার ধোনটা এখনো ব্যথা করছে।তাই কাকিমার কথা মত আমার পরনের গেঞ্জিটা খুলে ফেললাম।আর কাকিমা আমার খোলা গায়ে হাত বোলাতে লাগলো। আমি তাকিয়ে ছিলাম।ড্রেসিং টেবিলটার দিকে।টেবিলে কত জিনিস! একদিকে অনেকগুলো লিপস্টিক,কত রঙের গুনে শেষ করা যাবে না। একটা পেনহোল্ডারে অনেকগুলো কাজল আর আইশ্যাডো পেন্সিল রাখা,ড্রেসিং টেবিলের উপরে ভর্তি করে অনেকগুলো বোতল। কোনটা লোশন,কোনটা ময়েশ্চারাইজার,কোনটা ফাউন্ডেশন,কোনটা আবার পারফিউম।আরও কত কিছু!অনেক বড় একটা আইশ্যাডো প্যালেট আছে, এমন কোন রঙ নেই যেটা ওটার মধ্যে নেই। এক কথায়,যেকোন মেয়ের জন্য এই ড্রেসিং টেবিলটা একটা ফ্যান্টাসী কিংডম।কিন্তু আমি তো মেয়ে না। তারপরেও কেন যেন আমার খুবই ভালো লাগলো এই টেবিলটা।দেখতে দেখতে হঠাৎ খেয়াল করলাম কাকিমা আমার প্যান্ট খুলে নিয়েছে গোড়ালির কাছে।আর এখন এক হাত দিয়ে আমার পা উচিয়ে প্যান্ট টা বের করে আনছে।আমি হতভম্ব হয়ে দেখতে লাগলাম।আমার ইচ্ছে করছে কাকিমাকে থামাতে।কিন্তু কেন যেন পারছি না।এদিকে আমি প্যান্টের নিচে আন্ডাওয়ারের পরিনি আজকে। তাই আমি এখন সম্পূর্ণ নগ্ন হয়ে কাকিমার সামনে দাঁড়িয়ে আছি।কোন নড়াচড়া নেই।যেন পাথরের মূর্তি হয়ে গেছি আমি।এদিকে কাকিমা আমার ধোনর চারপাশে কালো কালো চুলে বিলি কাঁটতে কাঁটতে বললো।এগুলো শেভ করে ফেলিস না কেন?কাকিমার প্রশ্নে আমি কিছুই বলতে পারলাম না।তবে কাকিমার কোমল হাতের স্পর্শে আমার ধোনটা দাঁড়িয়ে গেল।এটা দেখেই কাকিমা বললো।ইসস্ কি দস্যু ছেলেরে তুই।কাকিকে দেখে নুনু টা খাড়া করে ফেরেছিস।বলেই একটা চড় মারলো আমার ধোনটাতে।ব্যথায় "অ্যাঅঅঅআঃ" গুঙিয়ে উঠলাম আমি।আর তার সাথে সাথেই আর একটা চড়। আমি কাকি মাকে বললাম।কাকিমা আর না উহহ্ খু খুব লাগছে।কথাটা শুনে কাকিমার বললো।একটু তো লাগবেই,তবুও যে সহ্য করতে হবে।তোর নুনুটার একটা ব্যবস্থা করতে হবে আগে।এটাকে আগে ছোট করে পরে খাঁচায় ঢুকিয়ে তালা লাগিয়ে দিতে হবে।নয়তো যখন তখন খাঁড়া হয়ে জ্বালাতন করবে।কাকিমা কি বলছে কিছুই বুঝতে পারলাম না।এদিকে কাকিমা তার কোমল হাতে আমার ধোনটা ধরে খেঁচতে শুরু করেছে ধিরে ধিরে।আমি বাধা দিলাম না,কাকিমার হাতের স্পর্শ খুব আরাম লাগছিল।কাকিমার হাতের মুঠোয় আমার ধোনটা উত্তেজনায় টনটন করছে।কাকিমা একটু ধোন খেঁচে আবারও একটা চড় মারলো জোরে।মমমম...আমি চিৎকার দিতে গেলেই কাকিমা আমির মুখ চেপে ধরলো।কাকিমা আমার কানে কানে বললো।ভালো করে শোন কয়েকদিন আগে তোর মা আমাকে পারার বেশ্যা বলেছিল না।এখন কেমন লাগছে এই বেশ্যার আদর।আমি কিছু একটা বলতে যাচ্ছিলাম।তখনি কাকিমা জোরে জোরে ধোন খেচতে লাগলো।আর মাঝে মাঝে থাপ্পড় মারতে লাগল। ব্যাথা পেতে পেতে আমার হটাৎ চোখ বুজে আসতে শুরু হলো আর ঠিক একটু পরেই যেন টের পেলাম আমার ধোন দিয়ে কেমন ঘন ঘন রস গড়িয়ে পড়ছে। কষ্ট করে তাকিয়ে দেখলাম যে আমার মাল বেরিয়ে পরেছে কাকিমার অত্যাচার সহ্য করতে করতে। আমি আগে খেঁচেছি অনেকবার। কিন্তু এবারে দেখলাম মাল পড়া সত্ত্বেও কোনো সুখ পাচ্ছিলাম না।এদিকে আমার মালগুলো কাকিমা তার হাতের তালুতে জমা করছে। কাকিমা আমার ধোনটা চেপে চেপে ধোনে থাকা সবটুকু মাল বের করে আনলো তার হাতের তালুতে। তারপর আমাকে ছেড়ে দিতেই আমি ড্রেসিং টেবিলের সামনে টুলের ওপরে বসে পরি ধপ করে।আর দেখলাম কাকিমা তার হাত থেকে আমার টাটকা বীর্য গুলো ছোট্ট একটা তেলের খালি বাটিতে রাখলো।এরপর কাকিমা ড্রেসিং টেবিলের একটা ড্রয়ার থেকে একটা কালো বক্স বের করে আনলো।এবং বক্স থেকে কি যেন একটা জিনিস বের করলো।মেটালর তৈরি জিনিসটা। এদিকে আমার ধোনটা ন্যাতানো অবস্থায় মাল ফেলার পর আমার মনে হচ্ছিল,ধোনটা যেন আর কোনোদিন দাড়াবেনা। এদিকে কাকিমা আমার ধোনেটায় মেটাল এর একটা ছোট খাঁচা টাইপ এর কিছুতে ঢুকিয়ে দিচ্ছে। আগে খেয়াল করিনি আমার বিচির চারদিক দিয়ে একটা রিং পরিয়ে দিয়েছে ইতিমধ্যে। যার সাথে খাঁচাটা আটকে একটা ছোট তালা লাগিয়ে দিলো কাকিমা। আমি হতভম্ব হয়ে দেখছিলাম এইসব।আর অনুভব করছিলাম খাঁচাটা আমার ধোনটাকে আঁকড়ে ধরেছে।
– এটা কক কেজ!এখন থেকে তুই আর আমার পারমিশন ছাড়া নুনু খাড়া করতে পারবিনা।
কাকিমার কথায় হুশ ফিরলো আমার।এতখন যেন একটা ঘোরের মধ্যে ছিলাম আমি।হুশ ফিরতেই কাকিমার দিকে তাকিয়ে দেখি।কাকিমা তার গলার চেইনে একটা ছোট চাবি ঢুকিয়ে গলায় পরে নিছে আবার।আমি বুঝলাম এটা আমার ধোনের খাঁচাটা চাবি। আমার খুব ভয় করতে শুরু হলো, কাকুতি মিনতি করতে লাগলাম কাকিমার দিকে তাকিয়ে। কিন্তু আমার কোনো অনুনয় বিনয়ে পাত্তা দিলো না কাকিমা। আর আমাকে বললো।আজ থেকে আমার কথা শুনে চললে তোর নুনু দাঁড়াতে দেব কখনো কখনো আর না শুনলে কোনোদিন নুনু দাড়াবেনা তোর। আমি প্রতিবাদ করার সাহস পেলাম না।আমার ভিতূ মুখটা দেখে কাকিমা আমার চিবুকে হাত দিয়ে বললো।এত ভয় পাচ্ছি কেন!লক্ষী মেয়ের মত আমার কথা শুনলে তোর কোন সমস্যা হবে না বুঝলি।এখন আমার সাথে বাথরুমে আয় তো তোর শরীর থেকে সব লোম গুলো শেভ করে ফেলতে হবে।যদিও খুব বেশি নেই।তার পরেই মেয়েদের শরীরে লোম মানায় না। বলেই কাকিমা আমার হাতটা ধরে,আমাকে টেনে নিয়ে যেতে লাগলো বাথরুমের দিকে।আর আমি তখন ভাবছি আমাকে নিয়ে কি করতে চায় এরা!!!
0 মন্তব্যসমূহ